Latest News

Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label প্রযুক্তি. Show all posts

যে কারণে কি-বোর্ডে A,B,C...X,Y,Z পাশাপাশি থাকে না

যে কারণে কি-বোর্ডে A,B,C...X,Y,Z পাশাপাশি থাকে না


কম্পিউটার থেকে ল্যাপটপ, কোথাওই ইংরেজি বর্ণমালার লেটারগুলি কি-বোর্ডে পাশাপাশি থাকে না। সেই আদ্যিকালের টাইপ রাইটারের মতো ছড়ানো ছিটানো। লেখার সময় বেশ খুঁজে নিতে হয় লেটারগুলিকে। কিন্তু, কী কারণে কি-বোর্ডে এভাবে রাখা হয় লেটারগুলি?

এর আসল কারণ হল QWERTY। এটিই হলো প্রথম কমার্শিয়াল টাইপরাইটারের লে-আউট। ক্রিস্টোফার শোলেস ১৮৭৪ সালে এই লে-আউটটি তৈরি করেন। এর নাম দেওয়া হয়েছিল 'Remmington Number 1'। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে তিনি দেখেন, লেটারের বাটনগুলো হয় আটকে যাচ্ছে, নয়তো একটা আরেকটার সঙ্গে ধাক্কা খাচ্ছে। যার ফলে টাইপ করার সময় মিস হয়ে যাচ্ছে লেটার। 

ফলে এই সমস্যা দূর করতেই,  কমন লেটারগুলিকে পরস্পরের থেকে দূরে রাখা হয়। যাতে টাইপ করার সময় কোনও বাটন আটকে না যায়। আর তাতে কাজও হয়। পরে আধুনিক কম্পিউটারেও সেই একই লজিকই ফলো করা হয়। সূত্র: জি নিউজ

‘এই নারী ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’

‘এই নারী ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’


   মধু শাহ অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ছবি। ছবি : জি নিউজ

‘এই নারী আপনার ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’-এক নারীর ছবিসহ এমনই একটি সংবাদ পরিবেশন করছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। জি নিউজের খবর অনুযায়ী এই নারীর ছবিসংবলিত ফেসবুক অ্যাকাউন্টগুলো সবই স্প্যাম অ্যাকাউন্ট। আর এই অ্যাকাউন্ট ফেসবুকে থাকলে আপনার অ্যাকাউন্টটিও নিরাপদ নয়।

এই খবরটি ভারতের খ্যাতনামা বিভিন্ন অনলাইনসহ সংবাদমাধ্যমে প্রচারের পর খবরটি এখন ‘ভাইরাল’। খবর অনুযায়ী, মধু শাহ নামে একই নামে একই ছবিতে একই ‘নারীর’ ৩৪টি অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার অধিকাংশেরই বন্ধুসংখ্যা পাঁচ হাজারের বেশি।

জি নিউজের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি এই অ্যাকাউন্টটি থেকে বিভিন্ন স্প্যাম মেসেজ লাখো অ্যাকাউন্টে ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানান, ‘ভিডিও এবং মেসেজের’ স্প্যাম মেইলগুলো ছড়ানো হয়েছিল এই মধু শাহ নামের অ্যাকাউন্টগুলো থেকেই।

আর প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ওই স্প্যাম মেইলগুলোই বিভিন্নভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকের বিষয়ে দায়ী ছিল। আর তাই এই অ্যাকাউন্টগুলো বর্জনের পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞরা।

যেখান থেকে পরিচালিত হয় সমগ্র ইন্টারনেট…



গুগলে কোনো বিষয় সার্চ করলে আপনার সামনে অসংখ্য ফলাফল চলে আসে, যা থেকে আপনি তথ্যের চাহিদা মেটানো, বিনোদন, সংবাদ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুর খবর সংগ্রহ করেন।

মুহূর্তেই এ কাজটি সম্পন্ন হওয়ায় আপনি বুঝতেও পারবেন না, কতো হাজার মাইল ঘুরে আপনার চোখের সামনে এল তথ্যগুলো। এসব তথ্যই চোখের পলকে সরাবরাহ করার জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে ইন্টারনেটের অবকাঠামো।

সম্প্রতি নিউ ইয়র্কের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ‘ক্যারিয়ার হোটেল’-এর ভেতর প্রবেশ করেছিলেন পিটার গ্যারিট্যানো। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ওইয়ার্ড।

‘ক্যারিয়ার হোটেল’গুলো মূলত ডেটা সেন্টার, যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে ইন্টারনেট সচল রাখে। পরিদর্শন শেষে তিনি জানিয়েছেন সেখানকার ভেতরের অবস্থা সম্পর্কে।

সারা বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালানোর জন্য প্রয়োজন হয় বড় বড় সার্ভারের। এছাড়া রয়েছে নানা নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম। এ ধরনের বহু সরঞ্জাম একত্রে রাখা হয় কোলোকেশন সেন্টারে। এগুলো এক ধরনের ডেটা সেন্টার, যাকে কখনো কখনো ক্যারিয়ার হোটেলও বলা হয়। এসব অবকাঠামোর বিস্তারিত নিরাপত্তার জন্য সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। এগুলোর মধ্যে অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ একটি নিউ ইয়র্কে অবস্থিত।


ক্যারিয়ার হোটেল নামে নিউ ইয়র্কের ইন্টারনেট ডেটা সেন্টারের অভ্যন্তরে রয়েছে বিশাল সব সার্ভার, বহু নেটওয়ার্ক হাব ও অসংখ্য তারের জঙ্গল। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য সার্বক্ষণিক প্রস্তুত জেনারেটর রয়েছে এখানে। এছাড়া ডেটা সেন্টার ঠাণ্ডা করার জন্য রয়েছে বিশাল কুলিং সিস্টেম।


নিউ ইয়র্কের এ ডেটা সেন্টার বা ক্যারিয়ার হোটেলে এটিঅ্যান্ডটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে ভ্যারাইজন নেটওয়ার্কের সংযোগ সাধিত হয়েছে। এছাড়া গুগলের সঙ্গেও তাদের সংযোগের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভির প্রোভাইডারের আওতায় থাকা গ্রাহকরা যখন গুগলে কোনো বিষয় সার্চ করে তখন তা এ ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে গুগলের সার্ভার থেকে তথ্যগুলো পেয়ে যায় চোখের নিমিষে।

বিভিন্ন ইন্টারনেটনির্ভর প্রতিষ্ঠান এ ডেটা সেন্টারে তাদের সার্ভার স্থাপন করতে পারে। আর এতে তারা ওয়েবসাইট ও তথ্য ইন্টারনেটে প্রদর্শন করতে পারে।


নিউ ইয়র্কে মোট পাঁচটি ক্যারিয়ার হোটেল বা ইন্টারনেট ডেটা সেন্টার রয়েছে। এগুলোর কার্যক্রম এতটাই গোপন যে তাদের অধিকাংশ নিজেদের নামও প্রকাশ করতে চায় না। তাদের মধ্যে দুটির নাম টেলএক্স ও জ্যায়ো। এদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়।

বন্ধ হওয়া বা ব্লক সাইট দেখুন বিকল্প উপায়ে




ব্লক করা ওয়েবসাইট দেখার জন্য যে ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয় তাকে প্রক্সি সাইট বলা হয়। এই প্রক্সি সাইট দিয়ে ব্লক করা বা নিষিদ্ধ সব সাইটে সহজেই প্রবেশ করা যায়।

ইন্টারনেটে এরকম শত শত প্রক্সি সাইট রয়েছে, যা দিয়ে ডোমেইনের মাধ্যমে ব্লক করা সাইট দেখা যায় সহজেই।

এই প্রক্সি সাইটগুলোর মধ্যে http://www.freeproxy.net হলো পৃথিবীর প্রথম ১০টি র্যাঙ্কড প্রক্সি ওয়েবসাইটের মধ্যে একটি। ইন্টারনেট ব্রাউজারে http://www.freeproxy.net লিখে এন্টার করার পর ঠিক মাঝামাঝি স্থানে একটি সার্চ করার জায়গা দেখা যাবে, সেখানে ব্লগ করা ওয়েবসাইটটির ঠিকানা লিখে সার্চ দিলেই সাইটটি দেখা যাবে। এ রকম আরও কিছু সাইটের ঠিকানা হলো :

www.zendproxy.com
www.pagewash.com
www.hidemyass.com
www.proxybrowsing.com
www.proxsafe.net
www.boomproxy.com
www.zfreez.com
www.proxy-server.at
www.newipnow.com
www.hidemehere.com
www.zend2.com

হটস্পটশিল্ডের সাহায্যে সাইট দেখা
এর জন্য www.hotspotshield.com থেকে ৬ মেগাবাইটের মতো এই সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে। সফটওয়্যারটি উইন্ডোজের সব সংস্করণ এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম সমর্থন করে। ইনস্টল করার পরে সিস্টেমট্রেতে লাল রঙের আইকন দেখা যাবে। এই আইকনে ক্লিক করে Connect/On-এ ক্লিক করলে ওয়েব ব্রাউজারে নতুন একটি পেজ খুলবে এবং হটস্পটশিল্ড সার্ভারের সঙ্গে কানেক্ট হবে এবং কিছুক্ষণ পরে Connected লেখা আসবে ও সিস্টেমট্রের আইকনটির রঙ সবুজ হবে। এখন যে কোনো ব্লক করা সাইট দেখা যাবে। পরে মূল আইপিতে ফিরে আসতে বা নতুন আইপি পেতে ডিসকানেক্ট করতে চাইলে ওই সবুজ আইকনে ক্লিক করে Disconnect/OFF-এ ক্লিক করলেই হবে।

প্রোএক্সপিএন দ্বারা আইপি হাইড করে সাইট দেখা
প্রোএক্সপিএনসফটওয়্যারটি ব্যবহারের জন্য www.proxpn.com থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন। এখন প্রোএক্সপিএন সফটওয়্যারটিতে ইউজার (ইমেইল) পাসওয়ার্ড দিয়ে Connect বাটনে ক্লিক করুন তাহলে ভিপিএন চালু হবে এবং নতুন আইপি পাবে, যা সিস্টেমট্রেতে দেখা যাবে।
অ্যাকাউন্ট না থাকলে Create an account বাটনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করে নিন। আর এই ইউজার পাসওয়ার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ হবে, ফলে পরে ইউজার পাসওয়ার্ড দিতে হবে না। এখন যে কোনো ব্লক করা সাইট দেখা যাবে।

ডিসকানেক্ট করতে চাইলে সিস্টেম ট্রেতে মাউসের ডান বাটনে ক্লিক করতে পারবেন। হটস্পটশিল্ড এবং প্রোএক্সপিএনের মতো আরও কিছু ভিপিএন
www.ultrasurf.us,
www.privitize.com
www.vpnbook.com

টর ব্রাউজারের সাহায্যে সাইট দেখা
টর ব্রাউজার বহনযোগ্য বলে ইনস্টল না করে বা ফ্লাশ ডিক্স থেকে সরাসরি চালানো যায়। টর প্রজেক্টের ভেতরে মজিলা ফায়ারফক্সের বহনযোগ্য সংস্করণ থাকায় কম্পিউটারে ইনস্টল থাকা ব্রাউজার ব্যবহারের প্রয়োজন পরে না।

এর জন্য প্রথমে ফ্রি এবং বহনযোগ্য টর ব্রাউজার www.torproject.org থেকে ডাউনলোড করুন।
এবার আনজিপ করে Start Tor Browser চালু করুন। তাহলে Vidalia Control Panel টর সার্ভারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। সংযোগ স্থাপন হলে বহনযোগ্য মজিলা ফায়ারফক্সটি (টর ব্রাউজার) সক্রিয় অবস্থায় চালু হবে। ফলে Congratulations. You are using Tor. মেসেজ-সম্বলিত টর প্রজেক্টের চেক পেজ আসবে ও একটি আইপি দেয়া হবে।

এখন এই বহনযোগ্য মজিলা ফায়ারফক্সের মাধ্যমে যে কোনো বন্ধ বা ব্লক থাকা ওয়েবসাইট ব্রাউজ করা যাবে।

জাকারবার্গের নিরাপত্তা ব্যয় কত ?


ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের লাইফস্টাইল একদম সাদামাটাই মনে করেন পৃথিবীর সবাই।

পোষাক ও সাদামাটা হয়ে জীবন-যাপন করলেও নিজের নিরাপত্তার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করেন তিনি। সম্প্রতি ফেসবুকের প্রকাশিত আর্থিক বিবরণীতে জাকারবার্গের নিরাপত্তার ব্যয়ের একটা হিসেবে উঠে এসেছে।


প্রকাশিত নিরাপত্তা ব্যয়ে দেখা গেছে গত বছর জাকারবার্গের নিরাপত্তা বাবদ খরচ হয়েছে ৪২.৬ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়াও ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত জুকারবার্গের ব্যক্তিগত নিরাপত্তায় খরচ হয়েছে ১২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

নিজের নিরাপত্তা ব্যয়ের এই হিসেবটি ফোর্বস ম্যাগাজিনকে জানিয়েছে জাকারবার্গ। এই ব্যয় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা প্রহরী, বাসা-বাড়িতে নিরাপত্তা এবং ফেসবুক কার্যালয়ের নিরাপত্তার জন্য। এসব অর্থের মধ্যে নিরাত্তা সামগ্রী ক্রয়, স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও অর্ন্তভুক্ত রয়েছে বলে জানিয়েছেন জাকারবার্গ।

জাকারবার বার্গের নিরাপত্তা ব্যয় দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও দেখা গেছে ওই বিবরণীতে। তবে জাকারবার্গ নিরাপত্তার জন্য যে অর্থ ব্যয় করেন অন্যসব টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিরাপত্তা ব্যয়ের চেয়ে অনেক কম বলেও উল্লেখ্য করেছে ফোর্বস ম্যাগাজিন।

অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভরতা বেশি : গবেষণা প্রতিবেদন



গণমাধ্যমে দেশের মানুষের নির্ভরতায় পত্রিকার তুলনায় এগিয়ে রয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম। ৩ মে মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বেলা ১১টায় অায়োজিত অনুষ্ঠানে পরিপ্রেক্ষিতের একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানানো হয়।

মূল প্রবন্ধে উঠে আসে, দেশে গণমাধ্যমে নির্ভরতার দিক থেকে ১১ শতাংশ মানুষ অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভর করেন। অন্যদিকে মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ নির্ভর করেন পত্রিকার ওপর।

সবচেয়ে নিচের দিকে রয়েছে রেডিও। মাত্র ১ শতাংশ মানুষ নির্ভর করেন এ মাধ্যমটির ওপর।

অন্যদিকে টেলিভিশন দর্শকদের মূল আকর্ষণ নিউজ-এ বলে গবেষণায় জানা যায়।

গবেষণায় বলা হয়, দর্শকদের মধ্যে ২৫ শতাংশ সংবাদ দেখেন, নাটক ও টেলিফিল্ম দেখেন ২০ শতাংশ, খেলার অনুষ্ঠান দেখেন ১৭ শতাংশ, টিভি সিরিয়াল দেখেন ১৩ শতাংশ, টক শো দেখেন ৬ শতাংশ মানুষ।

এ সময় ৭১ টিভির ইশতিয়াক রেজা বলেন, গবেষণায় উঠে এসেছে যে, নিউজে মানুষের আগ্রহ বেশি। টকশো যেহেতু মধ্যরাতের অনুষ্ঠান তাই দর্শক কম। কিন্তু গণমাধ্যমের সামনের পথটা খুব বেশি সুখকর হবে কি-না আমি জানিনা।

অন্যদিকে আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, আমাদের সৃজনশীলতায় এগিয়ে যেতে হবে।

পত্রিকার জন্য পথটা আরো চ্যালেঞ্জিং। মানুষের জন্য নতুন নতুন কনটেন্ট নিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

(সূত্র- বাংলানিউজ)

বিশ্বের সব কম্পিউটার হ্যাক করতে পারবে FBI!




বিশ্বের যেকোন কম্পিউটার, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ হ্যাক করতে পারবে FBI (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। সম্প্রতি এমন রায় ঘোষণা করেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১ নম্বর ধারায় মার্কিন সিনেটের সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দিয়েছে। যার ফলস্বরূপ ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (FBI) এখন থেকে যেকোনো কারণেই বিশ্বের যেকোন কম্পিউটার হ্যাক করার অধিকার পাবে। এর জন্য প্রয়োজন হবে না কোন সার্চ ওয়ারেন্টও।

তবে মার্কিন কংগ্রেস যদি এই ধারায় আরও কোন পরিবর্তন অথবা সংশোধন করতে চায়, তবে তা এ বছরের ১ ডিসেম্বরের আগে করতে হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট।

অনলাইনে জিডি করবেন যেভাবে



জিডি শব্দটি জেনারেল ডায়েরীর সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতিটি থানায় এবং ফাঁড়িতে একটি ডায়েরিতে ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয়। প্রতিদিন সকাল আটটায় ডায়েরি খুলে পরের দিন সকাল আটটায় বন্ধ করা হয়। অর্থাৎ কার্যত এটি কখনই বন্ধ হয় না। এই ডায়েরিতে থানার বিভিন্ন কার্যক্রম যেমন আসামী কোর্টে চালান দেয়া, এলাকার বিভিন্ন তথ্য, থানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আগমন ও প্রস্থানের তথ্য ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।

জিডির গুরুত্ব
সাধারণ মানুষের কাছে জিডির গুরুত্ব ভিন্ন। কোন থানায় মামলাযোগ্য নয় এমন ঘটনা ঘটলে মানুষ থানায় জিডি করে থাকেন। আবার কাউকে ভয় ভীতি দেখানো হলে বা অন্য কোন কারণে যদি তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন, কিংবা কোন ধরনের অপরাধের আশঙ্কা করেন তাহলেও তিনি জিডি করতে পারেন। জিডি করার পর পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে থাকে। প্রয়োজনবোধে তদন্ত করা, নিরাপত্তা দেয়া ছাড়াও জিডির বিষয়টি মামলাযোগ্য হলে পুলিশ মামলা করে থাকে। আইনগত সহায়তা পাওয়ার জন্য জিডি অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনেক সময় আদালতেও জিডিকে সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জিডির প্রক্রিয়া
থানার ডিউটি অফিসার জিডি নথিভুক্ত করেন। এক্ষেত্রে তিনি একটি ডায়েরীতে জিডির নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য লিপিবদ্ধ করেন। জিডির দুটি কপি করা হয়। একটি থানায় সংরক্ষণ করা হয় এবং অন্যটিতে জিডির নম্বর লিখে প্রয়োজনীয় সাক্ষর ও সীলমোহর দেয়া হয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করতে হয়।

অভিযোগকারী নিজে জিডি লিখতে পারেন, আবার প্রয়োজনে থানার কর্মকর্তাও লিখে দিয়ে থাকেন। প্রতিটি জিডির বিপরীতে একটি নম্বর দেয়া হয়, ফলে কোন অবৈধ প্রক্রিয়া মাধ্যমে কেউ আগের তারিখ দেখিয়ে জিডি করতে পারেন না।

অনলাইন জিডি
পুলিশের তাৎক্ষণিক সাড়া দেবার প্রয়োজন নেই এমন ক্ষেত্রে যেমন পাসপোর্ট হারানো, বাখাটে বা মাদক সেবীদের সম্পর্কে তথ্য প্রদান বা এজাতীয় ক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করা যেতে পারেন বা সরাসরি পুলিশ সদরদপ্তরে ফ্যাক্স বা ই-মেইল করতে পারেন। এ পদ্ধতিতে দেশের বাইরে থেকেও জিডি করা সম্ভব। এক্ষেত্রে অনলাইনে জিডি করার পর ই-মেইল বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জিডি নম্বরটি জিডিকারীকে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

অনলাইনে জিডি করার জন্য http://www.police.gov.bd সাইটে গিয়ে ‘Citizens help request’– এ ক্লিক করতে হবে।
ই-মেইল: bangladesh@police.gov.bd.
ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৯৫৫৮৮১৮

হারানো বিষয়ের জিডি
মোবাইল ফোনের সিম, পরীক্ষার সার্টিফিকেট, জমির দলিল প্রভৃতি হারিয়ে গেলে ঐ সব কাগজপত্র পুনরায় তুলতে গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হারানো সংবাদের জিডি চেয়ে থাকে, তাই ঐসব ক্ষেত্রে হারানো সংবাদের জিডি করে সেই জিডি নম্বরসহ কর্তৃপক্ষরে কাছে আবেদন করতে হয়।

একটি জিডির নমুনা দেখা যাক নিচে-

বরাবর
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
………. থানা
ঢাকা।
বিষয়: এসএসসি সার্টিফিকেট হারানো সংবাদ ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন।

মহোদয়,
আমি নিম্ন সাক্ষরকারী আপনার থানায় উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে জানাচ্ছি যে, আমার এসএসসি পরীক্ষার সার্টিফিকেট আজ সকাল আনুমানিক ১১ টার সময় ঢাকা কলেজের পাশের রাস্তার একটি ফটোকপি করার দোকান থেকে হারিয়ে গেছে।
এমতাবস্থায় হারানোর বিষয়টি ডায়েরীভুক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

সার্টিফিকেটের বিবরণ:
পরীক্ষার নাম…শিক্ষাবর্ষ…রেজিষ্ট্রেশন নং… রোল নং…
দাখিলকারী,
...
ঠিকানা : ...
ফোন : ...

বিল গেটসের মারাত্মক দুই ভুল



টানা ২৫ বছর মাইক্রোসফটের সিইও হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন বিল গেটস। ২০০০ সালে এ পদ থেকে সরে পড়ার আগে শত শত বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান উপহার দিয়ে যান প্রযুক্তি বিশ্বকে। বিশ্বের ধনীদের শীর্ষের ছিলেন অনেক দিন।

তবে মানুষ মাত্রই ভুল। পৃথিবীর সেরা সব সিইওরা ভুল করেন। বিশেষজ্ঞ ব্রাড সিলভারবার্গ ১৯৯০ সাল থেকে মাইক্রোসফটের এসভিপি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিলের ভুলগুলো কাছ থেকে দেখেছেন। তিনি জানান, সিইও থাকাকালীন গেটস দুটো বড় ধরনের ভুল করে। যা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসাকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রাথমিক অবস্থাতেই ইন্টারনেটের সুবিধা না নেওয়া এবং দুর্বল তদবিরের কারণে এমনটা ঘটেছে।

ব্রাডের মতে, বিলের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল প্রথম থেকেই যথেষ্ট পরিমাণে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত না থাকা। যখন গোটা মাইক্রোসফট সরকারের সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে তদবিরে ব্যস্ত, তখন বিলের ভাবটা ছিল, মাইক্রোসফটকে একা থাকতে দাও। সোশাল মিডিয়া ‘কুয়োরা’তে এক প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য দেন ব্রাড।

সিলভারবার্গ লিখেছেন, গেট সরকারের সঙ্গে খাতির করে চলতেন না। তিনি রাজনীতিবিদদের সঙ্গে সখ্যতা রাখতেন না। কারণ তার বিশ্বাস ছিল, মাইক্রোসফট স্বচ্ছভাবে বাজারে প্রতিযোগিতা করে যাচ্ছে। ক্রেতাদের কাছে তার যথেষ্ট মূল্য রয়েছে। কিন্তু এই মনোভাব ছিল প্রতিষ্ঠানের জন্যে ধ্বংসাত্মক। একটা পর্যায়ে যেন মার্কিন সরকার এবং ইইউ রীতিমতো মাইক্রোসফটের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

২০০০ সালে বিচাকর থমাস পেনফিল্ড জ্যাকসন এক রায়ে বলেন, মাইক্রোসফট অ্যান্টিট্রাস্ট ল ভঙ্গ করেছে। তারা অবৈধভাবে উইন্ডোজের সঙ্গে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার যোগ করেছে। যদিও ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানটি ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের সঙ্গে এ নিয়ে সমাধানে যেতে সক্ষম হয়। অনেকের বিশ্বাস, এ ঘটনায় বাজারে প্রতিষ্ঠানটির আধিপত্য নষ্ট হয়।

সিলভারবার্গ আরো জানান, ইন্টারনেটের উত্থানে বিল এর প্রতি উদাসীন ছিলেন। তিনি তার উইন্ডোজকেই রক্ষা করতে চাইছিলেন। কিন্তু সুযোগের সদ্ব্যবহার তিনি করতে পারেননি। নব্বুইয়ের দশকে উইন্ডোজ থাকা মানে আর কিছু চাই না। কিন্তু ইন্টারনেটের ভবিষ্যত দেখতে পাননি বিল। মাইক্রোসফটের গোটা সিস্টেম এবং উইন্ডোজ নিয়েই এগোতে চেয়েছিলেন তিনি। ফলে ২০০০ সালের দিকে উইন্ডোজের জনপ্রিয়তা মারাত্মকভাবে কমে যায়।

এই দুটো ভুলের দায় মাথায় নিয়েই মূলত বিলকে সিইও পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয়। তবুও ব্রাডের চোখে, বিল সর্বকালের সেরা সিইওদের একজন।

গেটসের পরিকল্পনায় ছিল এমন এক প্রতিষ্ঠান যা হবে সফটওয়্যারের সাম্রাজ্য। এটা হবে বিশাল এক ব্যবসায়ী প্লাটফর্ম। সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

মৃত্যুর পর কী হবে আপনার ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের?



আপনি চিরদিন বাঁচবেন না। সেটাই স্বাভাবিক। থেকে যাবে আপনার কীর্তিকলাপ। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এ আপনি কী করেছেন, তার খতিয়ান। কিন্তু ঠিক কী হয়? ফেসবুক-এ এখন মৃত মানুষের ভিড়। বহু মানুষ মারা গিয়েছেন, কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্টগুলি দিব্য রয়েছে বহাল তবিয়তে। যদিও ইউজারের মৃত্যুর ক্ষেত্রে একটি নিয়ম রয়েছে ফেসবুক-এর।

ফেসবুক হয় পাকাপাকিভাবে সেই অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেয়, নয়তো সেটিকে একটি মেমরিয়াল পেজ-এ পাল্টে দেয়। এ ক্ষেত্রে ফ্রেন্ড এবং ফ্যামিলি লিস্টে যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা মৃত ব্যক্তির মেমোরিয়াল পেজ-এ পোস্ট করতে পারেন। ইউজার যদি কাউকে লিগ্যাসি কনট্যাক্ট দিয়ে যান, তা হলে তাঁর মৃত্যুর পরে সেই ব্যক্তি আংশিকভাবে ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।

টুইটারে কোনও ইউজারের মৃত্যুর পরে তিনি যাঁকে অথরাইজ করে দিয়ে যাবেন, একমাত্র তিনিই ইউজারের মৃত্যুর কথা জানাতে পারবেন। তবে সেই ব্যক্তিকে ইউজারের মৃত্যুর পর্যাপ্ত প্রমাণ দিতে হবে। তবে ওই অ্যাকাউন্টে পরিবারের কোনও অধিকার থাকবে না। ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলটিকে মেমোরিয়াল পেজ করে দেয়। তবে সেই অ্যাকাউন্টে কারও অ্যাকসেস থাকবে না।

যে সব রোগের কারণ আপনার মোবাইল!

এখনকার দিনে মোবাইল ছাড়া একমুহূর্ত ভাবা যায় না। সারাক্ষণ এই যন্ত্রটি আমাদের সঙ্গী হয়ে রয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে হোক অথবা বিনোদনের ক্ষেত্রে, সবসময়ই এই যন্ত্রটিকে ব্যবহার করে চলেছি আমরা। অফিসের কাজ হোক বা ব্যক্তিগত কাজ সব ক্ষেত্রেই মোবাইল অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটিকে আমাদের ব্যবহার করতেই হয়। এছাড়া কোনও উপায় নেই।

মোবাইল থেকে বেরনো ক্ষতিকর বিকিরণে আমাদের শরীর নানা উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এটা আমরা সবাই জানি। মোবাইলের ক্ষতিকর বিকিরণ ক্যানসারের কারণ, সেটাও কারও অজানা নয়। তবে আর কি কি হতে পারে মোবাইল ব্যবহার করলে তা জেনে নিন ।

ক্যানসার
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মোবাইল থেকে বেরনো রেডিওফ্রিকোয়েন্সির ফলে ব্রেন টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে যায়। এর থেকে ক্যানসারও হতে পারে।

হার্টের সমস্যা
মোবাইল থেকে বেরনো ক্ষতিকর রশ্মি পাকাপাকিভাবে হার্টের সমস্যা তৈরি করে। ফলে বুক পকেটে কখনও মোবাইল রাখবেন না। এবং হার্টের সমস্যা হচ্ছে বুঝলে অবহেলা করবেন না।

বন্ধ্যাত্ব
মোবাইল রশ্মি বিকিরণের এটি অন্যতম ক্ষতিকর দিক। মোবাইল ফোনের ব্যবহারে পুরুষের স্পার্ম কাউন্ট কমে যায়। ফলে সন্তানের জন্ম দিতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।

শ্রবণ দুর্বলতা
মোবাইলের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে শ্রবণ শক্তি পুরোপুরি নষ্ট হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরাই। মোবাইলের তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে অন্তরঙ্গতা কানে শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

চোখের সমস্যা
এখনকারদিনে আমরা অনেকেই সারাদিন কম্পিউটার অথবা মোবাইলে কাজ করি। বেশিক্ষণ মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাঁকিয়ে থাকলে চোখের সমস্যা হতে বাধ্য। কমবয়সেই মোটা ফ্রেমের চশমা চোখে উঠতে পারে আপনার।

ঘুমের ব্যাঘাত
কেন রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে বুঝতে পারছেন? মোবাইল নিয়ে সারাদিন ঘাঁটতে থাকাই এর প্রধান কারণ। মাত্রাতিরিক্ত মোবাইল ঘাঁটা, বিশেষ করে রাতে শুয়ে, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। এর ফলে শরীরে নানা ধরনের অসুখ বাসা বাধে।

দুর্ঘটনার প্রবণতা বাড়ায়
মোবাইল ব্যবহার করতে করতে কাজ করলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা অনেকখানি বেড়ে যায়। গাড়ি চালাতে চালাতে অথবা রাস্তা পার হতে গিয়ে কখনও মোবাইল ব্যবহার করা উচিত নয়।

অজান্তেই স্মার্টফোনের ডেটা শেষ হওয়া বন্ধ করুন

অনলাইন ডেস্ক:

আপনার কি স্মার্টফোনের ইন্টারনেট তেমন ব্যবহার না করার পরেও হঠাৎ ডেটা প্যাকেজ শেষ হয়ে যায়? বিনা কারণে ডেটা শেষ হওয়ার এ সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। ডেটা শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা নিয়ে আর কিছু করার থাকে না। অনেকেরই ধারণা হতে পারে, মোবাইল অপারেটরেরা কোনো কারসাজি করে তা শেষ করেছে। যদিও এ সমস্যার মূল কারণ বিভিন্ন অ্যাপ। এ অ্যাপগুলো আপনার অজান্তেই স্মার্টফোনের ডেটা শেষ করে ফেলতে পারে। এ লেখায় দেওয়া হলো তেমন কয়েকটি অ্যাপের বিস্তারিত। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে সিনেট।




১. ফেসবুক অ্যাপ
ফেসবুক অ্যাপটি যদি চালু করা এবং লগইন করা থাকে তাহলে আপনার অজান্তেই তা ডেটা শেষ করতে পারে। এক্ষেত্রে একটি অপশন হলো অটোপ্লে। তবে এ অপশনটিতে সামান্য পরিবর্তন করলে তা আর তেমন ডেটা খরচ করবে না। এক্ষেত্রে সমাধান হলো ভিডিওর অটোপ্লে অপশনটি বন্ধ করে নেওয়া। এজন্য ফেসবুকের অ্যাপটি ওপেন করে নিচের ডান পাশ থেকে More-এ যান। এরপর Settings থেকে Account Settings এবং Videos and Photos-এ ট্যাপ করুন। এরপর Videos and Photos থেকে Never Autoplay Videos সিলেক্ট করুন। আপনি চাইলে এখান থেকে শুধু ওয়াইফাইয়ের জন্যও অটোপ্লে চালু করতে পারেন।

২. টুইটার
আপনি যদি টুইটারের অ্যাপ ব্যবহার করেন তাহলে তাতে অটোপ্লে ভিডিও চালু থাকলে বন্ধ করে দিন। এজন্য নিচের ডান পাশ থেকে Me বাটনে চাপ দিন। এরপর ওপরের গিয়ার আইকন থেকে আপনার প্রোফাইল পেজের Settings-এ যান। এরপর General অংশ থেকে Data সিলেক্ট করুন। এখানে Video autoplay থেকে Wi-Fi only কিংবা Never play videos automatically সিলেক্ট করুন।

৩. ইনস্টাগ্রাম
প্রিলোডিং ভিডিও ও ফটো আপনার স্মার্টফোন থেকে অজান্তেই ডেটা শেষ করতে পারে। এটি বন্ধ করতে চাইলে Instagram অ্যাপটি চালু করে প্রোফাইল পেজে যান এবং settings-এ যান। এরপর Cellular Data Use-এ ট্যাপ করুন। এরপর Use Less Data সিলেক্ট করুন।

৪. ইউটিউব
ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউবের অ্যাপও আপনার অজান্তে ডেটা শেষ করতে পারে। ইউটিউব অটোপ্লে করে না। তবে এইচডি কিংবা এ ধরনের কিছু ভারি ফাইল প্রায়ই ডেটা শেষ করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি যদি এইচডি ভিডিও চালানো বন্ধ করেন কিংবা শুধু ওয়াইফাইতে এইচডি চালান তাহলে সমাধান পাওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে যা করবেন- Settings থেকে Play HD on Wi-Fi only সিলেক্ট করুন।

৫. স্পটিফাই
স্পটিফাই থেকে আপনি যদি অনলাইনে মিউজিক স্ট্রিমিং সার্ভিস ব্যবহার করেন তাহলে ডেটা দ্রুত শেষ হতে পারে। এক্ষেত্রে মূল সমস্যা হলো আপনি যদি একটি গান একাধিকবার শোনেন প্রতিবারই তা অনলাইন থেকে স্ট্রিমিং করতে পারে। এ বিষয়টি বন্ধ করার জন্য কোনো অ্যালবাম বা প্লেলিস্ট দেখার সময় Available Offline-এ ক্লিক করুন। এতে অ্যালবামটি ডাউনলোড হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে তা থেকেই মিউজিক চলবে।

অন্ধকারেও সব দেখা যাবে কৃত্রিম চোখে!

অনলাইন ডেস্ক

ঘুটঘুটে অন্ধকারে কিছু দেখা সম্ভব হয়না। কিন্তু কৃত্রিম চোখ লাগানো থাকলে অন্ধকারেও সবকিছু পরিষ্কার দেখা যাবে। 

গলদা চিংড়ি (লবস্টার) ও আফ্রিকান এক জাতের মাছের চোখের সেরা বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম এই চোখ তৈরি করেছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন গবেষকরা।





গবেষকদের দাবি, এই কৃত্রিম চোখ চিকিৎসা, দুর্যোগে অনুসন্ধান ও উদ্ধার, মহাকাশে গ্রহ অনুসন্ধানী টেলিস্কোপে ব্যবহার করা যাবে।

আমেরিকার উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দাবি করছেন, সেন্সর যন্ত্রাংশের পরিবর্তে লেন্সের ভিতরে ইমেজিং সিস্টেমের সংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে উন্নতি করেছেন তারা।

গবেষকরা বলছেন, অন্ধকারে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট, অস্ত্রোপচার ও টেলিস্কোপে এই কৃত্রিম চোখ কাজে লাগানো যাবে। অন্ধকারে এর সাহায্যে দিনের মতো পরিষ্কার দেখা যাবে।

আইফোনের সাত সমস্যা

অনলাইন ডেস্ক:

বিশ্বখ্যাত প্রযু্ক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল বহুদিন ধরেই আইফোন বাজারে এনে বাজার মাত করেছে। তবে আইফোন যে সম্পূর্ণ নিখুঁত তা নয়। ক্রেতারা এর বেশ কিছু সমস্যার কারণে নতুন করে আইফোন কিনতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এ লেখায় দেওয়া হলো তেমন কিছু সমস্যা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে সিনেট।


বিগত প্রায় সাত বছর ধরে আইফোন নিত্যনতুন মডেল বাজারে আনছে। নতুন মডেলের আইফোন প্রায় সময়েই আগের চেয়ে বড় হয়। কিন্তু এখন বড় স্ক্রিনের আইফোন কি ক্রেতাদের জন্য সুবিধাজনক হবে? এ কারণে আরও বড় আইফোনের বদলে আগের আকারেই উন্নতমানের আইফোন আনতে চাইছে অ্যাপল। অন্যদিকে আইফোনের প্রতিযোগীরা বড় স্ক্রিনের স্মার্টফোন বাজারে ছেড়ে সাফল্য অর্জন করেছে। এক্ষেত্রে প্রতিযোগীদের সঙ্গে পিছিয়ে পড়ছে অ্যাপল। আরও কিছু প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে আইফোনের। এ লেখায় দেওয়া হলো তেমন কিছু চ্যালেঞ্জ।




১. আগামী আইফোনে কী থাকবে? নতুন অপারেটিং সিস্টেম কিংবা অনুরূপ সফটওয়্যার আপডেট ছাড়া নতুন কিছু কী থাকছে? এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা বলছেন উচ্চ রেজুলিশনের স্ক্রিন, দ্রুতগতির প্রসেসর ও ভালোমানের ক্যামেরা… যা প্রতিবারেই বলা হয়। অর্থাৎ প্রতি বছরেই প্রায় একই বিষয়গুলো ঘুরেফিরে আসছে। নতুন প্রযুক্তিগত বিষয় আসছে না।


২. জানা গেছে, এবার অ্যাপল স্মার্টফোনের পেছনে দ্বিতীয় ক্যামেরা যোগ করা হতে পারে। এর একটি ক্লোজআপ শটের জন্য এবং দ্বিতীয়টি ওয়াইড শটের জন্য। কিন্তু এটি কোনো নতুন বিষয় নয়। এলীজ জি৫ ও হুয়াই পি৯ স্মার্টফোনে এ বিষয়টি রয়েছে। এমনকি কোনো কোনো স্মার্টফোনে এর চেয়েও আধুনিক ক্যামেরা রয়েছে।


৩. আগের তুলনায় দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি যোগ করা হয়েছে সর্বশেষ আইফোনে। কিন্তু এটি এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে ক্রেতারা কখনোই সন্তুষ্ট হতে পারছেন না। কারণ স্মার্টফোনের ব্যাটারির চার্জ ক্রেতাদের মনমতো হচ্ছে না এখনও। অ্যাপল নতুন স্মার্টফোনগুলো হালকা-পাতলা করতে গিয়ে ভারি ব্যাটারি সংযোজন করতে পারছে না। ফলে আইফোনের প্রতিদ্বন্দ্বীদের রয়েছে শক্তিশালী ব্যাটারি।


৪. বাজারের বিভিন্ন প্রতিদ্বন্দ্বী স্মার্টফোনগুলো বর্তমানে মজবুত স্ক্রিন তৈরির দিকে মনোযোগী হয়েছে। মটোরোলা স্মার্টফোনে সংযোজন করেছে ‘ডিটো শাটারপ্রুফ’ স্ক্রিন। এগুলো স্ক্রিন যেমন মজবুত তেমন ব্যবহারও সুবিধাজনক। অ্যাপল মজবুত স্ক্রিনের দিক দিয়ে তাদের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে।


৫. অ্যাপল আগামী স্মার্টফোনে আর ৩.৫ মিমি হেডফোন জ্যাক রাখছে না। কিন্তু ব্যবহারকারীরা এটি উন্নয়ন নয় বরং সমস্যা হিসেবে দেখছেন।


৬. আইফোনের নতুন মডেলের স্টোরেজ থাকছে ৩২ কিংবা ৬৪ জিবি, যাই থাকুক না কেন তাতে অতিরিক্ত মেমোরি লাগানোর ব্যবস্থা সীমিত। কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী স্মার্টফোনগুলোর স্টোরেজ ক্ষমতা যেমন আরও বেশি থাকছে তেমন তা বাড়তি স্টোরেজ সংযুক্ত করারও ব্যবস্থা থাকছে।


৭. অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বী স্মার্টফোনগুলোতে বর্তমানে পানিরোধী ব্যবস্থা যেমন রয়েছে তেমন রয়েছে তারহীন চার্জ করার সুবিধা। এ সুবিধার দিক দিয়ে অ্যাপল পিছিয়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে হয়ত তারা এ সুবিধা দুটি যোগ করবে। কিন্তু ইতোমধ্যেই ক্রেতারা তা পেয়ে গেছে ভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনে।

যে কারণে জাকারবার্গ প্রতিদিন এক পোশাক পরেন


সাধারণ জীবনের কতকিছুই তো কেটে যায় তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে। কী রঙের কাপড় পরব, জুতার রং এর সঙ্গে মিলবে কি না। বন্ধুদের সঙ্গে এ বিষয়ে মাঝেমধ্যেই মুখর হয়ে উঠি আমরা।

এর বাইরেও কত আয়োজন আছে। স্রেফ ওয়ারড্রোব সেন্স ভালো করা বা তৈরির জন্য বিভিন্ন ফ্যাশন উইক হয়। প্যারিস, লন্ডন, নিউইয়র্ক, বার্লিন, মস্কো, রিও ডি জেনিরো কত শহরেই তো কেতাদুরস্ত হতে শেখানো হয়।

তবে একেবারে উল্টোপথে পথে হাঁটলেন মার্ক জাকারবার্গ। হ্যাঁ, সেই ফেসবুক প্রতিষ্ঠার পর থেকে এবং যখন থেকে তিনি বিশ্বের কনিষ্ঠ ধনকুবের, একটি বিষয় কখনো পরিবর্তন করেননি। আর সেটা হলো তাঁর ধূসর রঙের টি-শার্ট, যেটা তিনি প্রতিদিনই পরেন।




সম্প্রতি ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকারবার্গ তাঁর ওয়ারড্রোব ও দুই ধরনের টি-শার্টের ছবি প্রকাশ করেছেন। পিতৃত্বকালীন ছুটি শেষে কাজে ফেরার পর নিজের পোশাক-আশাকের ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন তিনি।

ব্রিটিশ দৈনিক ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, মার্কের অমায়িক পোশাক নিষ্প্রভ মনে হতে পারে। তবে প্রতিদিন একই পোশাক পরার পক্ষে তাঁর একটি ন্যায়সঙ্গত যুক্তি রয়েছে। তাঁর জবাব, প্রতিদিন একই পোশাক পরার ফলে কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে তাঁর শক্তি (এনার্জি) কাজে লাগাতে পারেন, মনোযোগ দিতে পারেন।

৩১ বছর বয়সী জাকারবার্গ ২০১৪ সালে জনসম্মুখে একটি অনুষ্ঠানে শ্রোতার প্রশ্নের মুখে প্রথমবার এর জবাব দেন। একজন জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কেন তাঁর পোশাক বদল হয় না। প্রতি-উত্তরে জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি সত্যিই আমার জীবনকে পরিচ্ছন্ন করতে চাই, আমার এই কমিউনিটি (ফেসবুক) ছাড়া অন্য যে কোনো বিষয়েই আমি যাতে যতটা সম্ভব কম সিদ্ধান্ত নিতে পারি।’ ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘আমি আসলেই খুব ভালো অবস্থানে আছি, আমি প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে শতাধিক কোটি মানুষের সেবা দিতে সহায়তা করি।’

জাকারবার্গের আনুমানিক সম্পদমূল্য তিন হাজার ৭৫০ কোটি (৩৭.৫ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে থাকার সময় কিশোর বয়সে ফেসবুক চালু করেন তিনি। ধারণা করা হয়, পোশাক নিয়ে অবস্থান তৈরি হয় সেই সময়ই।


0
যে কারণে কি-বোর্ডে A,B,C...X,Y,Z পাশাপাশি থাকে না যে কারণে কি-বোর্ডে A,B,C...X,Y,Z পাশাপাশি থাকে না

কম্পিউটার থেকে ল্যাপটপ, কোথাওই ইংরেজি বর্ণমালার লেটারগুলি কি-বোর্ডে পাশাপাশি থাকে না। সেই আদ্যিকালের টাইপ রাইটারের মতো ছড়ানো ছিটানো। লেখার ...

0
‘এই নারী ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’ ‘এই নারী ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’

   মধু শাহ অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল ছবি। ছবি : জি নিউজ ‘এই নারী আপনার ফেসবুকে থাকলে জলদি ডিলিট করুন’-এক নারীর ছবিসহ এমনই একটি সংবাদ পরিবেশন কর...

0
যেখান থেকে পরিচালিত হয় সমগ্র ইন্টারনেট… যেখান থেকে পরিচালিত হয় সমগ্র ইন্টারনেট…

গুগলে কোনো বিষয় সার্চ করলে আপনার সামনে অসংখ্য ফলাফল চলে আসে, যা থেকে আপনি তথ্যের চাহিদা মেটানো, বিনোদন, সংবাদ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব...

0
বন্ধ হওয়া বা ব্লক সাইট দেখুন বিকল্প উপায়ে বন্ধ হওয়া বা ব্লক সাইট দেখুন বিকল্প উপায়ে

ব্লক করা ওয়েবসাইট দেখার জন্য যে ওয়েবসাইট ব্যবহার করা হয় তাকে প্রক্সি সাইট বলা হয়। এই প্রক্সি সাইট দিয়ে ব্লক করা বা নিষিদ্ধ সব সাইটে সহজেই প্...

0
জাকারবার্গের নিরাপত্তা ব্যয় কত ? জাকারবার্গের নিরাপত্তা ব্যয় কত ?

ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের লাইফস্টাইল একদম সাদামাটাই মনে করেন পৃথিবীর সবাই। পোষাক ও সাদামাটা হয়ে জীবন-যাপন করলেও নিজের নিরাপত্তার...

0
অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভরতা বেশি : গবেষণা প্রতিবেদন অনলাইন সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভরতা বেশি : গবেষণা প্রতিবেদন

গণমাধ্যমে দেশের মানুষের নির্ভরতায় পত্রিকার তুলনায় এগিয়ে রয়েছে অনলাইন সংবাদমাধ্যম। ৩ মে মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে ...

0
বিশ্বের সব কম্পিউটার হ্যাক করতে পারবে FBI! বিশ্বের সব কম্পিউটার হ্যাক করতে পারবে FBI!

বিশ্বের যেকোন কম্পিউটার, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ হ্যাক করতে পারবে FBI (ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। সম্প্রতি এমন রায় ঘোষণা করেছে মার্কিন সুপ্রি...

0
অনলাইনে জিডি করবেন যেভাবে অনলাইনে জিডি করবেন যেভাবে

জিডি শব্দটি জেনারেল ডায়েরীর সংক্ষিপ্ত রুপ। প্রতিটি থানায় এবং ফাঁড়িতে একটি ডায়েরিতে ২৪ ঘন্টার খবর রেকর্ড করা হয়। প্রতিদিন সকাল আটটায় ডায়েরি খ...

0
বিল গেটসের মারাত্মক দুই ভুল বিল গেটসের মারাত্মক দুই ভুল

টানা ২৫ বছর মাইক্রোসফটের সিইও হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন বিল গেটস। ২০০০ সালে এ পদ থেকে সরে পড়ার আগে শত শত বিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান উপহার দিয়ে ...

0
মৃত্যুর পর কী হবে আপনার ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের? মৃত্যুর পর কী হবে আপনার ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের?

আপনি চিরদিন বাঁচবেন না। সেটাই স্বাভাবিক। থেকে যাবে আপনার কীর্তিকলাপ। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং-এ আপনি কী করেছেন, তার খতিয়ান। কিন্তু ঠিক কী হয়? ফেস...

0
যে সব রোগের কারণ আপনার মোবাইল! যে সব রোগের কারণ আপনার মোবাইল!

এখনকার দিনে মোবাইল ছাড়া একমুহূর্ত ভাবা যায় না। সারাক্ষণ এই যন্ত্রটি আমাদের সঙ্গী হয়ে রয়েছে। কাজের ক্ষেত্রে হোক অথবা বিনোদনের ক্ষেত্রে, সবসময়...

0
অজান্তেই স্মার্টফোনের ডেটা শেষ হওয়া বন্ধ করুন অজান্তেই স্মার্টফোনের ডেটা শেষ হওয়া বন্ধ করুন

অনলাইন ডেস্ক: আপনার কি স্মার্টফোনের ইন্টারনেট তেমন ব্যবহার না করার পরেও হঠাৎ ডেটা প্যাকেজ শেষ হয়ে যায়? বিনা কারণে ডেটা শেষ হওয়ার এ সমস্যায় অ...

0
অন্ধকারেও সব দেখা যাবে কৃত্রিম চোখে! অন্ধকারেও সব দেখা যাবে কৃত্রিম চোখে!

অনলাইন ডেস্ক ঘুটঘুটে অন্ধকারে কিছু দেখা সম্ভব হয়না। কিন্তু কৃত্রিম চোখ লাগানো থাকলে অন্ধকারেও সবকিছু পরিষ্কার দেখা যাবে।  গলদা চিংড়ি (লবস্ট...

0
আইফোনের সাত সমস্যা আইফোনের সাত সমস্যা

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বখ্যাত প্রযু্ক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল বহুদিন ধরেই আইফোন বাজারে এনে বাজার মাত করেছে। তবে আইফোন যে সম্পূর্ণ নিখুঁ...

0
যে কারণে জাকারবার্গ প্রতিদিন এক পোশাক পরেন যে কারণে জাকারবার্গ প্রতিদিন এক পোশাক পরেন

সাধারণ জীবনের কতকিছুই তো কেটে যায় তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয়ে মনোযোগ দিয়ে। কী রঙের কাপড় পরব, জুতার রং এর সঙ্গে মিলবে কি না। বন্ধুদের সঙ্গে এ বিষয়ে ম...